বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০১:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে সার পাচারের ঘটনায় ডিলারের নামে মামলা মুমূর্ষুদের বাঁচাতে প্রাণ, আসুন করি রক্তদান” নড়াইলে বাঐসোনা ইউনিয়নে দু গ্রুপের সংঘর্ষ-গুলিবিদ্ধ ২ আহত ৪ জন ৮টি বাড়িঘর ভাংচুর। দেওয়ানগঞ্জে যমুনার পার থেকে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার,গ্রেফতার ১ আশাশুনিতে সমৃদ্ধি ও প্রবীণ কর্মসূচির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় ওসির অপসারনের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ কিশোরগঞ্জে জমিসহ ৫০টি ঘর পাচ্ছেন গৃহ ও ভূমিহীনরা। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠি জেলা কাঠালিয়া উপজেলায় বিজয়ী হলেন যাহারা নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ এর নবনির্মিত গান ক্লিয়ারিং পয়েন্টের নামফলক উন্মোচন হাটে নয়,ক্রেতার ভিড় খামারে । *ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি কাঙ্খিত দামে মিলছে না পশু*

লোহাগড়ায় পরিবার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের কক্ষে বসবাস চেয়ারম্যানের

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৬ বার পঠিত

জেলা প্রতিনিধি,নড়াইল

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন। দুই বছর ধরে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় তলায় একাধিক কক্ষ দখল করে বসবাস করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাইফুল ইসলাম সুমন। এর কিছুদিন পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় তলার কক্ষগুলো নিজের দখলে নিয়ে বসবাস করতে শুরু করেন। তার সঙ্গে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৭ জন সদস্য রয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান পরিষদে বসবাস করেন এমনটা আগে কখনো দেখেননি এলাকাবাসী। ক্ষমতার জোরেই এমনটা করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

ওমর শরীফ নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘নির্বাচন হওয়ার পর থেকেই দেখছি পরিবার নিয়ে এখানে (ইউনিয়ন পরিষদ) থাকছেন। ঠিক না বেঠিক জানি না। চেয়ারম্যান বোর্ড অফিসে থাকে কেন এই কথা আমরা বললি আমাদের কথা কি শুনবে? শুনবে না। ক্ষমতা দিয়েই থাকতিছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন বিডি সময় নিউজকে বলেন, চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই আমরা দেখছি তিনি পরিবারসহ এখানে থাকেন। দুইতলা ভবন পুরো তার দখলে। এর আগে কোথাও দেখিনি চেয়ারম্যান পরিবার নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে থাকতে।

পরিষদে বসবাস করার বিষয়টি স্বীকার করে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমনের স্ত্রী জানান, দুই বছর ধরে তারা পরিষদে বসবাস করছেন। জনগণের সেবার কথা চিন্তা করেই এখানে বসবাস করছেন তারা।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন জানান, রাত্রিযাপনের জন্য সরকারিভাবে পরিষদে তার জন্য দুটি রুম বরাদ্দ আছে। সেখানে কোয়ার্টার হিসেবে তিনি থাকছেন। আর একটা রুম বিট অফিসারদের। অন্যটি সার্ভার রুম। সেটি তালা দেওয়া থাকে। আর বিট অফিসারদের রুমে মাঝেমধ্যে যখন লোকজন আসে তখন বসেন।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, এভাবে অফিসে থাকার কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। জানার পর চেয়ারম্যানকে দ্রুত পরিষদ ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর